1. khulnaedition@gmail.com : Khulna Edition : Khulna Edition
  2. md.ahsanulrobiul@gmail.com : Ahsanul Islam : Ahsanul Islam
  3. hasanur321@gmail.com : হাসানুর রহমান : হাসানুর রহমান
  4. habibullahbhola467@gmail.com : মোঃ হাবিবুল্লাহ : মোঃ হাবিবুল্লাহ
  5. imranbinrabiul@gmail.com : Md Imran Nazir : Md Imran Nazir
  6. mizan070301@gmail.com : মোঃ মিজানুর রহমান : মোঃ মিজানুর রহমান
  7. mahedihasananas@gmail.com : Mahedi Hasan Anas : Mahedi Hasan Anas
  8. zakirnet@yahoo.com : SM ZAKIR Hossain : SM ZAKIR Hossain
  9. admin@www.khulnaedition.com : খুলনা এডিশন :
  10. zaberhosen1143@gmail.com : মোঃ জাবের হোসেন : মোঃ জাবের হোসেন
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম’ খাবার বিতরণ’ ও দোয়া অনুষ্ঠিত  পাইকগাছার সোলাদানায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পাইকগাছার সোলাদানা খেয়াঘাট সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন  ভবদহে স্থানীয়দের উদ্যোগে কচুরিপানা পরিস্কার অভয়নগরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহে দায়সারা প্রদর্শনী ভোলার তরুণ ইফতি এবার বিপিএল খেলবে রংপুরের জার্সিতে! বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক খোঁজ খবর নিতে জামায়াতের প্রতিনিধি দল এভার কেয়ার হসপিটালে খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে তালায় ৮ দলের স্বাগত মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত তালা উপজেলা বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা দিপা রানী সরকারের শেষ কর্ম দিবসে সুধীজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

জাল সনদ, ঘুষ ও অনিয়ম—অভিযোগ যাচাইয়ে শ্যামনগরে জেলা শিক্ষা অফিসারের তদন্ত অভিযান 

আব্দুর রশিদ, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

খুলনা এডিশন::

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার।

 

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের। তদন্তে তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী প্রোগ্রামার সিরাজুল ইসলাম।

 

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আরিফা এদিব চৌধুরীর কম্পিউটার সনদটি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (NECTAR, সাবেক NTRAMS) কর্তৃক জাল/ভুয়া প্রমাণিত হওয়ার পরও ওই সনদ ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষক তাকে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেন এবং বেতন–ভাতাদি উত্তোলনের উদ্যোগ নেন।

 

এছাড়া প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন নিজেই জাল সনদ ইস্যু করে অর্থের বিনিময়ে সুফিয়ান গাজী নামের এক ব্যক্তিকে কর্মচারী পদে নিয়োগ দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এমন আরও একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে উপস্থাপিত হয়।

 

তদন্ত শেষে জেলা শিক্ষা অফিসার সাংবাদিক ও উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন,

আমি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেছি। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই করে যথাযথ রিপোর্ট প্রদান করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত খুলনা এডিশন-২০২৫
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট